রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ
-
প্রকাশিত :
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
-
৬
বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পাবনার পাঁচটি আসনে দলীয় প্রার্থী দিয়েছিলো। সে জায়গা থেকে পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকারের দলীয় কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ১২ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী থাকলেও তিনি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হয়েও কোন প্রার্থীর পক্ষে নিজের উদ্যোগে কাজ করেননি। পাবনা সদর আসনের বিএনপি প্রার্থী এ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের আয়োজনে কয়েকটি নির্বাচনী কর্মসূচিতে এককভাবে উপস্থিত হওয়া ছাড়া বাকী আসনে তাকে কেউ ডেকেও পায়নি। নির্বাচনকালীন দলের সদস্য সচিবের উপস্থিতি অতীব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু একটা দিনের জন্যও তার উপস্থিতি বা দলীয় কোন দিকনির্দেশনা পায়নি প্রার্থী বা নেতাকর্মীবৃন্দ। এমন কি দলের অভ্যন্তরে কয়েকটি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তিনি সেগুলো দলীয়ভাবে সমাধানে ভূমিকা রাখতে যথেষ্ট অপারগ হওয়ার ফলে, বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ তিনটি আসন হারিয়েছে। এতে করে দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন হয়েও নির্বাচনে কোনো আসনে নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি কেন গ্রহণ করেনি। এদিকে এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি পাবনা জেলা এ্যাডভোকেট বার সমিতিতে প্যানেলের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচনের জন্য ব্যস্ত হয়ে পরেছিলেন। দলীয় নির্বাচন রেখে তিনি তার নিজের ভোটের ক্যানভাস করেছেন। এতে করে দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যপক প্রশ্ন জেগেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারটি আসনের একাধিক নেতাকর্মী বলেছেন পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকারের নিজস্ব কোন লোকজন নেই আমাদের রীতিমতো সন্দেহ হয় এখন যে তিনি অন্যদলের প্রার্থীদের থেকে কোন সুভিধা নিয়ে দলীয় কার্যক্রম অর্থাৎ নির্বাচনে নিষ্ক্রিয় ছিলেন কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। নেতাকর্মীরা বলেন আমরা এমন নেতৃত্ব চাইনা যে দলের বৃহত্তর স্বার্থ ছেড়ে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত আমরা দলের হাইকমান্ডের কাছে খুব দ্রুত লিখিতভাবে অভিযোগ করে এই সদস্য সচিবের পদত্যাগ সহ শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবী জানাবো। এবং এমন দায়সারা কার্যক্রমে তিনি তার দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। আমরা চাই দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক। এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে এ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকারের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংবাদটি শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
Leave a Reply