
সাঁথিয়া প্রতিনিধিঃ
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাবালিকা শিশু জুঁইকে ধর্ষণের ঘটনায় গত ২১ জুন গ্রেফতার করে ধর্ষক সুমনকে
কারাগারে প্রেরণ করে সাঁথিয়া থানা পুলিশ।
গত ২১ জুলাই ধর্ষকের পরিবার ও মামলার স্বাক্ষীদের বসতবাড়ির উপর বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে ধর্ষিতার পিতা জুয়েল ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের হুমকিধামকি এবং কোর্ট চত্ত্বরে গেলে বসতভিটা ভাঙচুর ও হত্যার হুমকি দেয় ধর্ষক সুমনের পিতা আব্দুস সাত্তারসহ সন্ত্রাসী বাহিনী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১৭ জুলাই ধর্ষিতা জুঁইয়ের পিতা মাতা বসতবাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে ধর্ষক সুমন ১৮ জুলাই দিবাগত রাতে দোচালা টিনের ঘড়ের দরজা খুলে নাবালিকা মেয়ে জুঁইকে ঘুমন্ত অবস্থায় চেঁপে ধরে ধর্ষন করে। ধর্ষণের সময় বিছানার চাঁদর মুখে চেপে ধরে শ্বাসরোধ এর চেষ্টা করে। ধর্ষণের বিস্তারিত ঘটনাটি পরবর্তীতে তার নানী সাহেদাকে খুলে বলে। এ ঘটনায় বেশকয়েকবার মামলার স্বাক্ষী সাহেদা খাতুনকে বেশ কয়েকবার পথরোধ করে হত্যার হুমকি দিয়েছে আসামীর আব্দুস সাত্তার।
এছাড়াও মামলার বাদী মোঃ জুয়েল ও স্বাক্ষী নাছির খাতুন ডালো খাতুনকে কোট চত্ত্বরে আসলে বসতভিটা ভাঙচুর উচ্ছেদ ও হত্যার হুমকি দেয় আসামীর পিতা আব্দুস সাত্তারসহ তার পালিত সন্ত্রাসীরা।
এ বিষয়ে মামলার বাদী ধর্ষিতার পিতা জুয়েল জানান, বেশ কয়েকবার আমাকে এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয়েছে বাড়িঘর ভাঙচুর করার। পাবনা কোট চত্বরে গেলে এলাকা থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বারবার। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান জানান, আসামীকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের হুমকি দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে ধর্ষকের পিতা অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তারের সাথে বেশ কয়েকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করা হলে সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন।
Leave a Reply